১/

সাধারণত আমি রাস্তায় স্ট্রেন্জার কারো সাথে তেমন কথা বলিনা, তবে হুটহাট কথাবার্তা হলে ভালোই লাগে। 

বিকেলের দিকে বের হয়েছিলাম রাফির সাথে  টিশার্ট কিনতে।।যে ভাইয়া টেম্পুতে আমার পাশে বসেছিলেন উনার সাথে কথা শুরু হয়েছিল ঘূর্ণিঝড় নিয়ে,উনার বাড়ি মহেশখালীতে, ডেন্জার জোনে।।উনার দাদা মারা গিয়েছিলেন ৯১'এর ঘূর্ণিঝড়ে।।লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি সেসময়।।কথায় কথায় অ্যাডমিশন থেকে ভার্সিটির কালচার নিয়ে কথা হচ্ছিল।। সেখান থেকে কথা পৌঁছালো বইটই নিয়ে।।আমি হৃদয় থেকে কিছু কামনা করে থাকলে তার একটা হলো মিনিংফুল কনভার্শেসন।।উইথ এনিওয়ান।। ঘন্টার পর ঘন্টা পার্ফেক্ট পরিবেশে কথা বলার আর ঘন্টার পর ঘন্টা কোনো কোনো পরিবেশে বোবা থাকার বাতিক আমার আছে।আমার একটা ইচ্ছে আছে, কারো সাথে অন্তত একটা দিন নাওয়া খাওয়া বাদে সারাদিন কথা বলে কাটানোর।।অলরেডি অর্ধেক দিন কয়েকজনের সাথে কথা হয়েছে।যেখানে ছিলাম, চকবাজার পর্যন্ত রাস্তাটুকু উনার সাথে শুধু জীবনানন্দ নিয়েই কথা বলে গেছি।।উনিও বাংলা ডিপার্টমেন্টের ছাত্র।। একেবারে গলায় গলায় কথা হয়েছে এসব নিয়ে৷।আরেকবার হয়েছিল এমন কলেজ থেকে আসার সময়।। আমি আর সিফাত আসছিলাম, সিফাতের সাথে কথা হচ্ছিল আফগানের হিস্ট্রি নিয়ে সেখান থেকে কথার সূত্রে কথা গড়ায় কমিউনিজম সেখান থেকে চে আর কাস্ত্রোকে নিয়ে।।পাশে একটা আঙ্কেল কথা শুনছিলো৷।তারপর উনিও জয়েন করেছিলেন, ইন্টারেস্টিংলি হি নিউ মেনি থিংস অ্যাবাউট কমিউনিজম এন্ড অল।।অনেক অচেনা মানুষের সাথেই কথা হয়, তবে যা নিয়ে আমি ইন্টারেস্টেড থাকি সেসব নিয়ে একেবারে টু দ্য পয়েন্ট কথাবার্তা এ দুবারই হলো যতদূর মনে পড়ছে।।


২/

ডেমিয়েন রাইস  খুব ভালো গান লেখে, প্রডিউস করে।।চিয়ার্স ডার্লিং গানটা নিয়ে আলাদা করে লিখতে হবে।।আমার সাউন্ডের প্রতি একধরনের অবসেশন আছে, কোথাও গেলে বা দাঁড়িয়ে থাকলে সাউন্ড রেকর্ডার অন করে রাখি।।দেখা যতটা গুরুত্বপূর্ণ তারচে মাঝে মাঝে শোনাটাকে আরো জরুরি মনে হয়।।আজকে যেমন অনেস্ট ক্যাফেতে বসে ছিলাম, টুংটাং আওয়াজ হচ্ছে, স্লো ভলিউমে কোথাও গান বাজছে, ছেলেমেয়েদের আড্ডার আওয়াজ আসছে কানে।।এন্ড ইউ আর জাস্ট দেয়ার,প্রেসেন্ট ইন দ্যা মুমেন্ট।।অবজার্ভিং এভ্রিথিং।।


৩/

যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ।।

চিয়ার্স ডার্লিং🍻


*মায়া বিরক্তিকর একটা জিনিস তবুও ভালো লাগে।।