'It was at that age, 

that poetry came in search of me'

-Pablo Neruda


আমি কবিতা লিখতে পারিনা, অজুহাত হিসেবে জীবনানন্দের কথা টানি।।বলতে হয়, আমার যা লেখার কথা ছিলো সে-সব অনেক আগেই একজন লিখে দিয়ে গেছে।। কথাটা প্রায় সত্যি।। অ্যাপার্ট ফ্রম দ্যা ফ্যাক্ট দ্যাট, জীবনানন্দের বেশিরভাগ কবিতাই আমার ভালো লাগেনা সিলেক্টিভ কিছু ছাড়া।।  বাকিগুলো মনে হয় অতিরিক্ত আবেগ দিয়ে লেখা।। অতিমাত্রায় আবেগের বহিঃপ্রকাশ বিরক্তিকর একটা জিনিস।। লবণের মতো? এছাড়াও আরেকটা বিষয় আছে, মুরাকামির অনেক লেখার মতো জীবনানন্দের অনেক কবিতাও আমার মাথায় ঢোকেনা।। প্রশ্ন আসতে পারে কবিতার কথা বলতে গিয়ে বারবার জীবনানন্দের কথা কেনো বলছি? কারণ জীবনানন্দ ছাড়া আর কারো কবিতা আমার তেমন পড়া হয়নি।। হেলাল হাফিজ? একটা বই মাত্র, এছাড়া ছড়িয়ে ছিটিয়ে আরো কিছু পাঠ হয়েছে বটে।। শহুরে জীবনে মানুষ যান্ত্রিক জীবন কাটাবে, সকল বস্তুগত অর্জনকে বড় করে দেখবে এটাই স্বাভাবিক হয়ে উঠছে।। সমস্যা, নিজের ব্যক্তিসত্তাকে আড়াল করে একটা সামজিক পোকা হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করতে গেলে কিছু ঝামেলায় পড়তেই হয়।। মানুষ সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে সেভাবেই প্রকাশ করে যেভাবে সে অন্যদের চোখে নিজেকে দেখতে চায়।। হোমো ইডিয়টস৷। তবে এই বিষয়টা নিয়ে আমার কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়।।কারণ সোশ্যালি আইসোলেটেড হলে মানুষ জানতে পারেনা তুমি কি করছো বা কি নিয়ে চিন্তা করছো৷। ইভুলেশনারী সাইকোলজি আমাদের জানায় ট্যাগিং হিউম্যান সারভাইভালের বড় একটা অংশ, পিপল নিড টু বি অ্যাওয়ার অফ হুম দেয়ার ডিলিং উইথ।। এখানেই আমার অবজেকশন।। পার্সোনালি আমি কোনো বাক্সের ভিতরে থাকতে চাইনা।। অবশ্য অনেকেই ভাবতে পারে এ চাওয়ার পেছনে কিছুটা বেনিফিশিয়াল রিজন আছে।৷ এমনটা হলে রঙ বদলানো সহজ।। কিন্তু আমি অস্কার ওয়াইল্ডের 'টু ডিফাইন ইজ টু লিমিট' তত্ত্ব মেনে চলতে আগ্রহী এবং অন্যদের ক্ষেত্রেও ইহা অনুশীলন করার চেষ্টায় আছি।। ইট ওয়াজ এট দ্যাট এজ, দ্যাট পোয়েট্রি কেইম ইন সার্চ অফ মি।। কবিতা হলো সাহিত্যের এলিট ক্লাস।। কবিতা থেকে একটু সরার চেষ্টা করি।। রেমার্কের কথা বলি।। এরিক মারিয়া রেমার্কে।। দ্যা এন্টি-ওয়ার নোভেলিস্ট।। রেমার্কের লেখা পড়তে কখনো ক্লান্তি আসেনা।। এমনও হয়েছে পড়বো না বলেও পড়া হয়ে গেছে৷।