অগ্নিকান্ডের শুরু হয় দেহের উধ্বাংশের  মস্তিষ্ক থেকে,আমি পুড়ছি।।



আগুনের তাপে ধীরে ধীরে গলে খসে পড়ছে মুখ নামক মুখোশের চামড়া কিংবা বাষ্প হয়ে উড়ে যাচ্ছে চোখের অশ্রুজল।।বৃষ্টির ফোঁটাগুলো এড়িয়ে যেতে চায় পাপিষ্ঠ শরীরের স্পর্শ, কিন্তু আমিতো বেশ্যা নই!ভুল বুঝলে পৃথিবী।।আমি পুড়ছি সাথে আরো পঞ্চাশ জনকে নিয়ে,পুঁজির চাপে,ঘর্ষণে,ধর্ষণে তৈরি হওয়া বিকট অগ্নিকান্ডে আটকে পড়া আত্মাদের সাথে এক ব্যার্থ প্রেমিকের হৃদয় পোড়ার ধোয়ায় তৈরি হওয়া কালো ধোয়া।।তাদের রেখে আমি এগিয়ে গেলাম একধাপ সামনে,আমি তখনও পুড়ছি,যেমন পুড়েছিল ঘন কুয়াশার সকালে গাছের ডালপালার সাথে একটি পত্রিকার প্রথম পাতার লেখা,এখানে হৃদয়ের ব্যাথা উপশম করা হয় কিংবা জেসাসের স্পর্শে জীবন্ত করা হয় মৃত আত্মা আমি তখনও পুড়ছি, পৃথিবীতে সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুটা আমায় দেখে কেঁদে কেঁদে তার মাকে জানালো উনার তো খুব কষ্ট হচ্ছে মা! জননী হেসে উত্তর দিলেন পুড়তে দাও,জ্বলে পুড়ে নিঃশেষ হওয়াইতো এদের অন্তীম কীর্তি।। 

হঠাৎ মনে হলো আমি যেনো মানুষ নই আমি মোমবাতি!